img

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অবস্থা, যা সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সে জন্য চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলুন। সাদা চাল বা আটার বদলে লাল চাল বা ওটস এবং আঁশযুক্ত সবজি যেমন করলা, লাউ ও পালংশাক খাদ্যতালিকায় রাখুন। কারণ একবার সুগার ধরে যাওয়া মানে আজীবন ওষুধ খেয়ে যাওয়া— এমনটাই তো ধারণা, তাই না?

আর শুধু কী ওষুধ খাওয়া, পছন্দের সব খাবারও একে একে ছেঁটে ফেলতে হবে। আপনি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক কিছুই করে থাকেন। প্রতিদিন নিয়মিত করে হাঁটাহাঁটি করেন, ডায়েট মেনে খাওয়াদাওয়া করেন, আবার বারবার অল্প করে খান। আর সুগার কমাতে এসব কাজ আপনাকে প্রতিদিনই করতে হয়। তবু যেন সুগার কমছে না, কোথাও ঘাটতি রয়ে গেছে। অথচ খাওয়ার পর আপনি পানি খেতে ভুলে গেছেন, আপনার পানি খাওয়ার কথা মনেই নেই। 

ভাবছেন, ডায়াবেটিসের সঙ্গে পানির কি সম্পর্ক? আপনার শরীরে পানির ঘাটতি হলে রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজ (চিনি) আরও ঘনীভূত হয়। এ কারণে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার না খেয়েও সুগার বেড়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে শরীরে আলাদা করে চিনি না গেলেও চিনির সঙ্গে পানির অনুপাত পরিবর্তিত হওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। 

এছাড়া আপনার শরীরে পানির মাত্রা ঠিক থাকলে শরীরের অতিরিক্ত শর্করা মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে ডিহাইড্রেশন হলে শরীরে অ্যান্টি-ডাইইউরেটিক হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মূত্রের পরিমাণও কমে যায়। সব মিলিয়ে বেড়ে যায় রক্তের শর্করার মাত্রা। তাই বলে আবার মাত্রাতিরিক্ত পানি খেয়ে নিলে হবে না। অনেক সুগার রোগীর কিডনির সমস্যা থাকে। সে ক্ষেত্রে পানি খাওয়ায় রাশ না টানলে বিপদ বেড়ে যেতে পারে। তাই সুগারের রোগীরা দিনে কতটা পানি খাবেন তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নেওয়াই ভালো। 

এই বিভাগের আরও খবর